মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভূমি বিষয়ক তথ্য

খাস জমি সংক্রান্ত তথ্য

ক)কৃষি খাস জমি:

Ø        মোট কৃষি খাস জমির পরিমাণ-৬৭৯৭১.৭১ একর,

Ø        বন্দোবসত্মযোগ্য কৃষি খাস জমির পরিমাণ ১১১৬৮.৫৩ একর,

Ø        এ পর্যমত্ম বন্দোবসত্মকৃত কৃষি খাস জমির পরিমাণ ২০৩৪৮.৯০২০ একর,

Ø        বিগত তিন (চার বছর দিন)বছরে বন্দোবসত্ম প্রদত্ত কৃষি খাস জমির পরিমাণ ১১১৩.১৩৭৫ একর

Ø        মোট উপকৃত পরিবারের সংখ্যা ১০৬৭৮টি,

Ø        বিগত তিন (চার বছর দিন) বছরে উপকৃত পরিবারের সংখ্যা ১৬৩২ জন।

খ)  অকৃষি খাস জমিঃ

Ø        মোট অকৃষি খাস জমির পরিমাণ-৪৭০৮০.৪৩ একর,

Ø        মোট বন্দোবসত্মযোগ্য অকৃষি খাস জমির পরিমাণ ৮০৬১.৯৯৯৬ একর

Ø        বিগত তিন (চার বছর দিন) বছরে বন্দোবসত্ম প্রদত্ত অকৃষি খাস জমির পরিমাণ ২.৩১১৯ একর

Ø        মোট বন্দোবসত্মপ্রাপ্ত সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-৮৬টি,

Ø        বিগত তিন (চার বছর দিন)বছরে বন্দোবসত্মপ্রাপ্ত সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-৪টি।

Ø        বিগত তিন বছরে (চার বছর দিন) বন্দোবসত্ম প্রদত্ত অকৃষি খাস জমি হতে সরকারি রাজস্ব প্রাপ্তির পরিমাণ ৩,২৪,২২,৯৬৬/-টাকা।

 

সায়রাত মহাল সংক্রান্ত তথ্য

ক)হাটবাজার

Ø        মোট হাটবাজারের সংখ্যা-২৪৪টি।

Ø        পেরিফেরীকৃত হাটবাজারের সংখ্যা-১১০টি।

Ø        বিগত বছর ইজারা প্রদানকৃত হাট বাজারের সংখ্যা-

Ø        হাট বাজার থেকে আয় (বিগত বছর)-

 

খ) জলমহাল

Ø        মোট জলমহালের সংখ্যা-৭৪১টি,

Ø        ২০ একরের উর্ধ্বে বদ্ধ জলমহালের সংখ্যা ১৯৬টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ইজারাযোগ্য-৭৮টি

Ø        ইজারাকৃত জলমহালের সংখ্যা- ৪০টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ইজারালব্দ আয়- ৪,২৭,৪৬,০৫০/-টাকা।

Ø        ১৪১৮ বাংলায় ইজারালব্দ আয়-

Ø        মামলাভুক্ত জলমহালের সংখ্যা- ১৫টি

Ø        বিগত এক বছরে মামলা নিস্পত্তি সংখ্যা-১০টি

 

গ) বালুমহাল

Ø        বালুমহালের সংখ্যা-৩৭টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ইজারাযোগ্য-৩৭টি

Ø        ইজারাকৃত-১২টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ইজারালব্দ আয়-২,২৫,৯৪,১৩০/-টাকা।

Ø        ১৪১৮ বাংলায় ইজারালব্দ আয়-২,৩৩,০৮,১৩০/-টাকা।

Ø        মামলাভুক্ত জলমহালের সংখ্যা- ১৫টি

Ø        বিগত এক বছরে মামলা নিস্পত্তি সংখ্যা-০২টি

 

ঘ) পাথরমহাল

Ø        পাথরমহালের সংখ্যা-০৭টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ০১টি পাথর ইজারা প্রদান করা হয়েছে, ইজারালব্দ আয়-২,৯৪,৬৭,৫৫৮/-টাকা।

Ø        বাকী ০৬টি পাথরমহাল হতে খাস আদায় চলমান।

Ø        ১৪১৯ বাংলায় পাথরমহাল হতে খাস আদায়-২,৯৪,৬৭,৫৫৮/টাকা।  

ঙ) ঘাষাণীমহাল

Ø        ঘাষাণীমহালের সংখ্যা-০৫টি

Ø        ১৪১৯ বাংলায় ইজারাকৃত ০২টি

Ø        ইজারালব্দ আয়-১,২০,৫০০/-টাকা।

 

চ) বাঁশমহাল

 

জলমহাল, বালুমহাল ও পাথরমহাল হতে আয় (১৪১৭, ১৪১৮, ১৪১৯ এভাবে দিন)

২০১১-১২ জুন পর্যন্ত আদায়

জলমহাল হতে আদায়           : ৩,৬২,০১,৭৮০/-টাকা।

বালুমহাল হতে আদায়           : ২,১২,৮৬,৬৩০/-টাকা।

পাথর মহাল হতে আদায়        : ৩৫,৭৮,০০০/- (ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী হতে খাস আদায় বাবদ)।

                                    ঃ ৭,৭০,৪৭৮ /-  (লোভাছড়া পাথর কোয়ারী হতে খাস আদায় বাবদ)।

 

জুলাই-১২ হতে জানুয়ারী১৩ পর্যন্ত আদায়

জলমহাল হতে আদায়     : ১,৭১,৭৩,৬৭৯/-টাকা।

বালুমহাল হতে আদায়     : ১৩,০৭,৫০০/-টাকা।

পাথর মহাল হতে আদায় :   ২,৯৪,৬৭,৫৫৮/টাকা।

                            ঃ- ১,২৬,৯৪,১০০/- (ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী হতে খাস আদায় বাবদ)।

                            ঃ- ৬০,৭০,৬৭২/-   (উৎমাছড়া পাথর কোয়ারী হতে খাস আদায় বাবদ)।

                            ঃ- ৯,৬২,৫২৫/-   ( বিছন্নাকান্দি পাথর কোয়ারী হতে খাস আদায় বাবদ)।    

 

ওয়াকফ/দেবোত্তর সম্পত্তি

§        সিলেট জেলায় ওয়াকফ সম্পত্তির পরিমাণ ৪২০.৬৭ একর

§        দেবোত্তর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩২.০১ একর।

 

রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা

Ø        রেন্ট সার্টিফিকেট মামলার মোট দাবির পরিমাণ ১,১০,৮৩,৮৬০/-টাকা

Ø        জুলাই ২০১১ হতে পুঞ্জিভূত আদায় ৮,০৫,৪০৫/-টাকা।

 

অর্পিত সম্পত্তি সেল

সিলেট জেলার অমত্মর্গত অর্পিত সম্পত্তির বিবরণ :

০১. উপজেলার নাম         : মিউনিসিপ্যালিটি

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ১৭৪.৬২

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ১০৫.৪২

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৩৪০

 

০২. উপজেলার নাম         : সিলেট   সদর

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ৩০৪.৫৭

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৪৫.১১

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৩৬

 

০৩. উপজেলার নাম         : দক্ষিণ সুরমা

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ১০৩৮.৪১

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ২৪২.৮৫

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ১৩৬

 

০৪. উপজেলার নাম         : কোম্পানীগঞ্জ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ১৫৪০.২৯

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৪৫৩.৯৬

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ১১৪

 

০৫. উপজেলার নাম         : গোয়াইনঘাট

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ১৯৫৯.৩৬

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৫৪৪.৩৪

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ১৮৮

 

০৬. উপজেলার নাম         : জৈমত্মাপুর

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ৭১৭.১৫

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ১৯৫.৭৪

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ২৩৬

 

০৭. উপজেলার নাম         : কানাইঘাট

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ২৮৫.০০

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ১০৯.৫৯

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ১০৩

 

০৮. উপজেলার নাম          : জকিগঞ্জ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)    : ২৬৫৯.৮৫

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৪৪১.৩৫

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৩২২

 

০৯. উপজেলার নাম         : বিয়ানীবাজার

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ৩১৬২.০৮

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৮০৪.৮৮

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ২৬৮

 

১০. উপজেলার নাম         : গোলাপগঞ্জ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ১৬৮৯.৫৬

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৫০০.৩৭

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৩৫০

১১. উপজেলার নাম          : ফেঞ্চুগঞ্জ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ২৪৯.৯২

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       :২৪৯.৯২

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ১৩০

 

১২. উপজেলার নাম          : বালাগঞ্জ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)    : ৫৯৩৬.৯৯

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ১৫২৮.৮৬

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৬১৬

 

১৩. উপজেলার নাম         : বিশ্বনাথ

মোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)   : ৩৩৯৭.৫২

লীজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৭৬৭.৬৯

লীজকৃত কেস (সংখ্যা)         : ৪৩৩

 

সিলেট জেলায় সর্বমোট অর্পিত সম্পত্তি (একর)    : ২৩১১৫.৩২

সিলেট জেলায় মোট লিজকৃত সম্পত্তি (একর)       : ৫৯৯০.০৮

সিলেট জেলায় ‘ক’ তপশীলভুক্ত সম্পত্তি (একর):

সিলেট জেলায় ‘খ’ তপশীলভুক্ত সম্পত্তি (একর)    :

সিলেট জেলায় মোট লিজকৃত কেস (সংখ্যা)        : ৩২৭২

 

চা বাগান সেল

 

চা বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎসও হচ্ছে চা। ১৮৫৪ সালে মালনীছড়া চা বাগান দিয়ে বাংলাদেশে চা শিল্পের গোড়াপত্তন হয়। বর্তমানে সিলেট জেলায় মোট চা বাগানের সংখ্যা : ২০ টি (১টি রম্নগ্ন)

 

উপজেলাওয়ারী বাগানঃ

সিলেট সদর উপজেলাধীন  : ১. লাক্কাতুরা, ২. মালনীছড়া, ৩. আলীবাহার, ৪. ডালিয়া, ৫. খাদিম, ৬. বুরজান, ৭. তারাপুর (মোট ৭টি)।

জৈন্তাপুর উপজেলাধীন                 : ১. লালাখাল, ২. হাবিবনগর, ৩. আফিফানগর, ৪. শ্রীপুর, ৫. খান, ৬. দি  মেঘালয় টি এস্টেট (মোট ৬টি)।

গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন: ১. ফতেহপুর, ২. জাফলং (মোট ২টি)।

কানাইঘাট উপজেলাধীন   : ১. লোভাছড়া, ২. ডোনা (মোট ২টি)।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলাধীন     : ১. মনিপুর, ২. মোমিনছড়া, ৩. ডালুছড়া (মোট ৩টি)।

চা বাগানসমূহের মোট জমির পরিমাণ                    : ২৮০২০.৭৬ একর।

বাগানসমূহ হতে বছরে উৎপাদিত চা এর পরিমাণ     : ১৮,২৪২ কেজি (প্রায়)।

 

ইজারা সংক্রামত্মঃ

পূর্বে ইজারাকৃত চা বাগানের সংখ্যা: ৮টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. লাক্কাতুরা, ২. মালনীছড়া, ৩. আলীবাহার, ৪. লালাখাল,

৫. হাবিবনগর, ৬. আফিফানগর, ৭. মনিপুর ও ৮. মোমিনছড়া।

 

নবায়নকৃত চা বাগানের সংখ্যা: ৪টি

বাগানগুলো হচ্ছে :   ১. লাক্কাতুরা (নবায়নের তারিখ- ),        ২. মালনীছড়া (নবায়নের তারিখ- )

৩. হাবিবনগর (নবায়নের তারিখ- )       ৪. মনিপুর (নবায়নের তারিখ- )

 

নতুনভাবে ইজারার আওতাধীনচা বাগানের সংখ্যা : ৭টি

বাগানগুলো হচ্ছে :   ১. শ্রীপুর (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),                ২. জাফলং (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),

৩. খাদিম (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),              ৪. লোভাছড়া (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),

৫. ফতেহপুর(চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),           ৬. খান (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- ),

৭. দি মেঘালয় টি এস্টেট (চুক্তি সম্পাদনের তারিখ- )।

 

বর্তমানে ইজারাবিহীন চা বাগানের সংখ্যা: ৩টি

বাগানগুলো হচ্ছে :   ১. তারাপুর (দেবোত্তর সম্পত্তি ও মামলাভুক্ত)

                        ২. ডালিয়া (২৮.৭৩ একর মামলাভুক্ত)

  ৩. ডালুছড়া (৫৫৭১/০৪ রিট মামলাসহ অন্যান্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যমত্ম ইজারা প্রদান না করার জন্য চা বোর্ডের সুপারিশ রয়েছে।)

 

ম্নগ্ন ও পরিত্যক্ত বাগান : ডোনা (১টি)।

চা বোর্ডের ২৭.১১.২০০২ তারিখের ৪১৫(১৯)/ভূমি-৫/ভূমি নিয়ন্ত্রণ-২ নং স্মারক মূলে বাগানটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

 

ইজারা চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে: ৮টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. শ্রীপুর, ২. জাফলং, ৩. হাবিবনগর, ৪. মালনীছড়া,

৫. লাক্কাতুরা, ৬. খাদিম, ৭. লোভাছড়া, ৮. ফতেহপুর।

 

ইজারার প্রসত্মাব মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় : ২টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. আফিফানগর, ২. বুরজান।

 

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং ইজারা দলিল সম্পাদনে কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন: ৩ টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. লালাখাল, ২. খান, ৩. আলীবাহার।

 

নবসৃষ্ট বাগান:  ১টি (জৈমত্মাপুর উপজেলাধীন দি মেঘালয় টি এষ্টেট)।

 

সিলেট জেলায় চা বাগানের মোট জমির পরিমাণ : ২৯,৭৪৪.৭৮ একর।

চা বাগানসমূহ হতে বার্ষিক গড় উৎপাদিত চা এর পরিমাণ : ১৮,২৪২ কেজি (প্রায়)। 

 

চা বোর্ড কর্তৃক শ্রেণীবিন্যাসকৃত চা বাগান

সাময়িক সনদ প্রদান করা হয়েছে: ১টি (দি  মেঘালয় টি এস্টেট)।

 

চা বোর্ড হতে সাম্প্রতিক সময়ে কোনো শ্রেণী বিভাজন করা হয়নি: ২টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. তারাপুর (দেবোত্তর সম্পত্তি)

     ২. ডোনা (পরিত্যক্ত)।

 

‘এ’ শ্রেণীভূক্ত চা বাগানের সংখ্যা

(প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ১২৫০ কেজি বা তার বেশি, ইজারার মেয়াদ-৪০ বছর) : ৭টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. মালনীছড়া, ২. বুরজান, ৩. আফিফানগর, ৪. লালাখাল, ৫. হাবিবনগর, ৬. খান, ৭. মণিপুর।

 

‘বি’ শ্রেণীভূক্ত চা বাগানের সংখ্যা

(প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ৯৫০ কেজি বা তার বেশি, ইজারার মেয়াদ-৩০ বছর) : ২টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. জাফলং, ২. মোমিনছড়া।

 

‘সি’ শ্রেণীভূক্ত চা বাগানের সংখ্যা

(প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ৯৪৯ কেজির কম, ইজারার মেয়াদ-২০ বছর) : ৮টি

বাগানগুলো হচ্ছে : ১. লাক্কাতুরা, ২. আলীবাহার, ৩. খাদিম, ৪. শ্রীপুর, ৫.ফতেহপুর,

৬. লোভাছড়া, ৭. ডালুছড়া ৮. ডালিয়া।

 

২০০৭ সালের পর হতে চা বাগানের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ভূমি মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, চা বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের ঐকামিত্মক প্রচেষ্টায় বাগানসমূহ ইজারার আওতায় আনার লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। চা বাগানের ইজারা বিষয়ে বাগান কর্তৃপক্ষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আইনী কাঠামোর মধ্যে তাঁরা নিজেদের নিয়ে আসতে তৎপর। জেলা প্রশাসন বিগত দুই বছরে চা বাগানের ইজারা বিষয়ে আমত্মরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এজেলার ১৯ টি চা বাগানের মধ্যে সরকারের রাজস্বখাতে আয়ের অভূতপূর্ব এক সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।